Our ex-Cadet Md. Shahadat Hossain Mojumder (26E) stabbed to death

Our ex-Cadet Md. Shahadat Hossain Mojumder (26E) stabbed to death

With heavy heart to inform you all that Md. Shahadat Hossain Mojumder had expired last night (22 October 2022) at around 9 pm while he went for an evening walk in Dhanmondi, Dhaka.

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন / Inna Lillahi wa inna ilayhi raji’un (We belong to Allah and to Him shall we return)

He had been stabbed last night (22 Oct) near Rabindra Shorobar in Dhanmondi, Dhaka possibly by some miscreants. Police had found the dead-body around 2:30 AM last night (23 Oct).

Shahadat just completed sailing a short voyage from Suez Canal to Panama Canal and returned back home in Mid Sept for his daughter SSC forthcoming exam and was staying home till date.

Shahadat Hossain Mojumder

Prothomalo.com প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২২,

ধানমন্ডি লেকের পাড় থেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের পাড় থেকে এক মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রবীন্দ্র সরোবর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। ধানমন্ডি থানা-পুলিশ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নিহত ব্যক্তির নাম শাহাদত হোসেন মজুমদার (৫১)। তাঁর লাশটি উদ্ধার করে আজ রোববার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হক বলেন, শাহাদতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত দেখা গেছে। তাঁর লাশের ময়নাতদন্ত হবে।

নিহত শাহাদতের বড় ভাই মোতালেব হোসেন বলেন, গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে শাহাদত কলাবাগানের বাসা থেকে বের হন। তিনি ধানমন্ডির লেকপাড়ে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়েছিলেন। অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও বাসায় না ফেরায় তাঁরা তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও খোঁজ না পেয়ে তাঁরা ধানমন্ডি থানায় যোগাযোগ করেন। পরে ধানমন্ডি থানা-পুলিশ লেকের পাড় থেকে শাহাদতের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধারের কথা তাঁদের জানায়।

মোতালেব হোসেন বলেন, তাঁর ভাই বিদেশি জাহাজে প্রধান ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এক মাস আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আসেন। পরিবার ও পুলিশ বলছে, শাহাদতের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে। বাবার নাম আবদুল বারী মজুমদার। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে শাহাদত ছিলেন ছোট। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা। তাঁর স্ত্রীর নাম আজমির সুলতানা।


চীফ ইঞ্জিনিয়ার শাহদাত হোসেন মজুমদার (বিএমএ, ২৬ ব্যাচ) স্যারকে আমি একাডেমির পর আর দেখিনি। উনি একজন নির্বিবাদী, নির্বিরোধী আর পরিবার কেন্দ্রিক মানুষ ছিলেন। স্ত্রী, তিন সন্তান, ছোট্ট বন্ধু সার্কেল আর শিপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল উনার জগৎ।
উনার প্রসঙ্গ আবার এভাবে উঠে আসবে ভাবিনি। গতকাল একজন নিউজটা দেয়ার পরেও চট করে চিনতে পারিনি। পরে চেহারা দেখে মনে পড়েছে। একাডেমিতে জুনিয়রদের ধারেকাছে সহজে আসতেন না। নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই মনোযোগী ছিলেন।
পরশু দিবাগত রাতে ধানমন্ডি লেকের রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় উনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উনি মাস দুই আগে বড় মেয়ের এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে শিপ হতে পানামা হয়ে দেশে ফিরেছিলেন। অন্য দুই ছেলে সন্তান ক্লাস সেভেনে পড়ে। প্রতিদিন ধানমন্ডি লেকের ধারে শরীরচর্চার অংশ হিসাবে সন্ধ্যার পর হাঁটতে যেতেন। পরশু গভীর রাত পর্যন্ত ফিরে না আসায় থানায় জানানো হয়৷ পরবর্তীতে ধানমন্ডি থানা লাশ উদ্ধার করে পরিচয় কনফার্ম করে।
উনার মর্গে পড়ে থাকার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম। শরীরে ৩-৪ টা গভীর ক্ষত আছে, বুক আর পেটের উপরের দিকে। পুলিশ আর পরিবার ধারণা করছে, ছিনতাই হতে পারে। যতটুকু জানলাম, পুলিশ র‍্যাব আর পিবিআই তিনটা সংস্থাই তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে লেকপাড়ের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বলা হচ্ছে, কামরাঙ্গীচর এলাকা হতে এসব ছিনতাইকারী এসে ঘটনাটা ঘটাতে পারে।
সময়ের ব্যাপারটা খুব ধোঁয়াশা পূর্ণ। পরিবার বলছে সন্ধ্যা ৭ টায় বেরিয়ে প্রতিদিন রাত ৯ টায় ফিরতেন। রাত ৯ টায় ছিনতাই এর ঘটনাটা ঘটতে পারে। পুলিশ বলছে মধ্যরাতের পর ছিনতাই এর ঘটনা ঘটেছে। আবার লাশ উদ্ধার হয়েছে রাত আড়াইটায়।
৪-৫ ঘন্টা একটা রক্তাক্ত লাশ রবীন্দ্র সরোবর এর ব্যস্ততম এলাকায় পড়ে থাকল। কেউ দেখল না, কেউ পুলিশে বা ৯৯৯ কল দিল না। উনাকে কিন্তু সময়মত হাসপাতালে না নেয়াতেই রক্তক্ষরণে মারা গেছেন।
পুলিশ কোন সিদ্ধান্তে না পৌঁছে সবদিক বিবেচনায় নিয়েই তদন্ত করছে। পারিবারিক, ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক কোন দ্বন্দ্ব আছে কিনা পুলিশ সেটাও খতিয়ে দেখছে। কারণ উনার মোবাইল আর মানিব্যাগ খোয়া গেলেও যেভাবে ছুরি আর অস্ত্রের আঘাত করা হয়েছে সেগুলো খুব স্বাভাবিক না। আশাকরি উনার হত্যাকারীরা দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার হবে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন উনাকে জান্নাতবাসী করুন।

বিঃদ্রঃ – আপনারা যারা মর্নিং বা ইভনিং ওয়াক করতে যান, নিজেদের নিরাপত্তা অবশ্যই নিশ্চিত করবেন। সাথে দামী কিছু না রাখা, দলবল নিয়ে হাঁটাচলা করা, ব্যস্ততম এলাকায় হাঁটাহাঁটি করা, পরিবারকে নিয়মিত আপডেট দেয়া, এরপরেও ছিনতাইকারী ধরলে বিনাতর্কে যা চায় দিয়ে দেয়া ইত্যাদি ফলো করতে পারেন। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ছিনতাই এর সংখ্যা বাড়তে পারে।

From Facebook of Atique Ua Khan(27N)

Share