একজন নাবিকের মুদ্রাদোষ, সব সময় জাহাজের টার্ম ব্যবহার করে, জলেও যেমন, স্থলেও তেমন। নতুন বিয়ে করেছে সে, স্ত্রী জাহাজ সম্বন্ধে কিছুই জানে না। কিন্তু নাবিক তার অভ্যাস মাফিক জাহাজের টার্ম ব্যবহার করেই যাচ্ছে, যেমন, ” সুইট-হার্ট, গ্যালি থেকে চা বানিয়ে আনবে?”
“গেলি কি জিনিস?” জিগ্গেস করলো তার স্ত্রী।
“সরি, রান্নাঘর, গ্যালি মানে রান্নাঘর।”
আরেকদিন বলে, “পোর্ট-হোলটা খুলে দাওতো, ফ্রেশ বাতাস আসুক।”
“পোর্ট-হোল কি?”
“সরি, জানালা, পোর্ট-হোল মানে জানালা।”
“অসহ্য, তোমার এইসব জাহাজী টার্ম শুনতে আর ভালো লাগে না।”
“ঠিক আছে, আর বলবনা, এবার আমার এ্যলং-সাইডে শুয়ে পড়।”
—————————————-
মোটা-সোটা দুই নাবিক বন্ধু জাহাজ থেকে সাইন-অফ করে বাড়ি গেছে। মাসখানেক পর এক অনুষ্ঠানে তাদের ফের দেখা। এর মধ্যে একজন ওজন কমিয়ে ফেলেছে।
– কিরে দোস্ত, ওজন কমাইলি ক্যামনে? প্রশ্ন করলো মোটা বন্ধু।
– একটা ফিটনেস কোম্পানির প্যাকেজ কিনেছি, ৫ দিনে ৫ কিলো।
– আশ্চর্য? খুলে বল।
– কোম্পানির প্যাকেজে সাইন করার পরদিন সকালে দরজায় টোকা, খুলে দেখি অপূর্ব সুন্দরী আর টি-শার্টে লেখা, ” ধরতে পারলে আমি তোমার।” ওর পিছনে ৫ দিন দৌড়াইলাম, ধরতে পারি নাই, কিন্তু ওজনতো কমেছে।
মুহূর্ত বিলম্ব না করে মোটা বন্ধু ফিটনেস কোম্পানিকে ফোন করে বললো, “আমার ডাবল প্যাকেজ চাই, ৫ দিনে ১০ কিলো।”
আর ভাবছে, ডাবল প্যাকেজ চেয়েছি, ডাবল সুন্দরী পাঠাতে পারে। একজনকে ধরতে না পারলে আর একজনকে তো পারবোই। পুলকিত মন, ঘুম কি আর আসে?
সকালে টোকা পড়তেই বিলম্ব না করে মোটা বন্ধু দরজা খুলে দেখে আফ্রিকার কালা ভাই হাজির, টি-শার্টে লিখা, “যদি তোরে ধরতে পারি – তুই আমার।”
—————-

PDF Version [Published at SMC Magazine “নোঙর” May 2014]
Leave a comment