A.K.M Jamal Uddin wrote a new post 11 years, 8 months ago
সোনার প্রযুক্তি শব্দ তরঙ্গ দিয়ে পানির নিচে কোনো কিছুর অবস্থান বুঝতে পারেসাগর-মহাসাগর বা নদীতে জলের তলে কী আছে, তা দেখার প্রযুক্তি সোনার। সাউন্ড নেভিগেশন অ্যান্ড রেঞ্জিংয়ের সংক্ষিপ্ত রূপ সোনার। জলপথে চলাচল, তলদেশে বা তলদেশেরও নিচে কোনো বস্তুর (যেমন নিমজ্জিত জলযান) খোঁজ বা যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে পানির মধ্যে শব্দ ছড়ানোর কৌশল এই সোনার প্রযুক্তি। আবার পানির গভীরতা পরিমাপের (বেদিমেট্রি) বেলাতেও ব্যবহৃত হয় এই প্রযুক্তি। সাগরতলের মানচিত্র বা নেভিগেশনাল ম্যাপ তৈরির কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় সোনার প্রযুক্তি। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে পদ্মায় ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চের খোঁজেও ব্যবহার করা হয়েছে সোনার। জানা যাক এ প্রযুক্তির বিস্তারিত।
দুই ধরনের সোনার রয়েছে—প্যাসিভ ও অ্যাকটিভ। প্যাসিভ সোনারে কোনো শব্দ-উৎস (যেমন অন্য কোনো জাহাজের শব্দ) বের করা হয়। অ্যাকটিভ সোনারে শব্দের স্পন্দন পাঠিয়ে সেটির প্রতিধ্বনি শোনা হয়। সোনারে ব্যবহৃত শব্দ-কম্পাঙ্ক অনেক নিচু মাত্রার ইনফ্রাসোনিক থেকে অতি-উচ্চমাত্রার আলট্রাসনিক পর্যন্ত হতে পারে। পানির নিচের এই প্রযুক্তিবিদ্যা ‘হাইড্রোঅ্যাকুস্টিকস’ হিসেবে পরিচিত। শব্দ-তরঙ্গের ওপরে নির্ভর করে সোনার প্রযুক্তি। সোনার খুব দ্রুতগতিশীল। ৭০ মিটার গভীরতায় শব্দ-সংকেতের যাওয়া ও আসা মিলিয়ে মোট পরিভ্রমণে লাগে মাত্র সিকি সেকেন্ড সময়। রাডার ও সোনারের মধ্যে প্রযুক্তিগত মিল রয়েছে। বায়ুমণ্ডলে রাডারে ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। আর পানির নিচে সোনারে ব্যবহৃত হয় শব্দের চাপ উৎসারিত অ্যাকুস্টিক তরঙ্গ।
প্রাণিজগতে হাজার হাজার বছর আগে থেকেই থেকেই ডলফিন ও বাদুড় যোগাযোগ ও বস্তুর সন্ধানে শব্দ-তরঙ্গ ব্যবহার করে আসছে। তবে মানুষের বেলায় পানিতে ১৪৯০ সালে প্রথম এ রকম ব্যবহার লক্ষ করেন লেওনার্দো দা ভিঞ্চি। ১৯ শতকে বাতিঘরের বিকল্প হিসেবে জলের তলে বিপদ-আপদ শনাক্ত করতে নিমজ্জিত ঘণ্টার ব্যবহার ছিল। ১৯১২ সালে টাইটানিক জাহাজের দুর্ঘটনার পরে সাগরতলে কোনো কিছু শনাক্ত করার জন্য শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহারের গুরুত্ব বেড়ে যায়। ১৯৩০ সালের দিকে মার্কিন প্রকৌশলীরা জলের তলে শব্দ শনাক্ত করার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।
ডলফিনের ইকোলোকেশন প্রক্রিয়া
১. ডলফিন তার নাকের মধ্যকার বায়ুপথ ব্যবহার করে একটা ক্লিক করে এবং কপালের মাঝ দিয়ে প্রেরণ করে থাকে। পানিতে পাঠানোর আগে সবগুলো শব্দ-ধারাকে একটা বিমে ফোকাস করে।
২. শব্দ যখন পানির নিচে কোনো বস্তুতে আঘাত করে, প্রতিধ্বনি রূপে এটা ফিরে আসে ডলফিনের কাছে।
৩. ডলফিন তার চোয়াল দিয়ে এই প্রতিধ্বনিকে গ্রহণ করে।
৪. চোয়ালের চর্বির মাঝের একটা পথ দিয়ে ডলফিনের কানের গভীর দেশে প্রেরণ করে দেয়; এরপর স্নায়ুর স্পন্দনকে মস্তিষ্কের সঙ্গে বিনিময় করে বস্তুর বৈশিষ্ট্য যেমন আকার, আকৃতি ও ধাতু নির্ণয় করে থাকে।

সোনার প্রযুক্তির আধুনিক মনিটরঅ্যাকটিভ সোনারে ব্যবহৃত হয় একটা শব্দ-প্রেরক ও শব্দগ্রাহক যন্ত্র। অ্যাকটিভ সোনার থেকে শব্দের একটা স্পন্দন সৃষ্টি করা হয়। সাধারণত একে ‘পিং’ বলা হয়ে থাকে। একটা সংকেত উৎপাদক, পাওয়ার অ্যামপ্লিফায়ার এবং একটা ইলেকট্রো-অ্যাকুস্টিক ট্রান্সডিউসার/অ্যারে সমৃদ্ধ সোনার প্রক্ষেপক থেকে তৈরি হয় এই স্পন্দন। সৃষ্ট অ্যাকুস্টিক পাওয়ারকে একটা বিম বা ধারায় সংকুচিত করে আনার জন্য ব্যবহৃত হয় একটা বিম-ফর্মার। পাঠানো বিম বিশ্লেষণ-প্রক্রিয়ায় কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে—মানুষের শ্রবণশক্তি, ডিসপ্লে পর্দ বা সফটওয়্যার। স্পন্দন প্রেরণ থেকে গ্রহণ করা পর্যন্ত সময়কে পানির নিচে শব্দের গতির (প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার) সঙ্গে সমন্বয় করে নিমজ্জিত কোনো বস্তু থেকে দূরত্ব নির্ধারণ করা হয়। এই স্পন্দনের কম্পনি পরিবর্তনশীল বা অপরিবর্তনশীল হতে পারে। সরণশীল লক্ষবস্তুর ক্ষেত্রে অপরিবর্তনশীল কম্পনির সাহায্যে ডপলার পরিবর্তন পরিমাপ করে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়।
একটা কার্যকরী ছোট আকারের সোনার রয়েছে, যা দেখতে পানিরোধী টর্চলাইটের মতো। পানির দিকে লক্ষ করে বোতামে চাপ দিলে দূরের লক্ষ্যবস্তুর দিকের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলে। আরেক রকমের সোনারে দেখা যায় মাছের ঝাঁক। পানির ওপরে ভাসমান যানের ট্রান্সডিউসার থেকে তলদেশের দূরত্ব পরিমাপ করার ক্ষেত্রে সোনার ব্যবহার করা হলে সেটাকে বলা হয় ইকো-সাউন্ডিং। পানির নিচ থেকে ওপরের দিকের তরঙ্গ পরিমাপ করার সময়ে তাকানো হয় ওপরের দিকে। পরিষ্কার পানি এবং পর্যাপ্ত আলোতে মানবীয় চোখ বা ক্যামেরায় ৫ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত দৃশ্যমান থাকে। বিশেষ করে নদী, হ্রদ, আবদ্ধ জলাশয়, উপকূলবর্তী এলাকার পানি ঘোলা হওয়ায় পানির তলে দৃশ্যমানতা কমে যায়। তবে, প্রযুক্তিগত উন্নতির ফলে বর্তমানে আধুনিক মডেলের সোনারে এসব অনেকাংশেই দূর হয়েছে।
মাছ ধরা এবং জলযান চালানোর ক্ষেত্রে চিরপ (কমপ্রেসড হাই ইনটেনসিটি রেডিয়েটেড পালস) হলো সবচেয়ে উন্নত মানের সোনার প্রযুক্তি। মানসম্পন্ন সোনার প্রযুক্তিতে একেকবার একটি করে কম্পনি প্রেরণ করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই একবারে একটি প্রতিফলিত কম্পনি ফিরে আসে। প্রাপ্ত তথ্যের পরিমাণও সীমিত। অন্যদিকে নিচু থেকে উঁচু মাত্রার একটানা কম্পনি প্রেরণ করে থাকে চিরপ। ফিরে আসার পর প্রত্যেকটি কম্পনিকে আলাদাভাবে বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করে চিরপ। এর চিরপের মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে ব্যাপক তথ্য পাওয়া যায় বলে উচ্চ রেজ্যুলেশনের অনেক স্পষ্ট ছবি পাওয়া যায়।
লেখক: চার্টার্ড নৌ প্রকৌশলী সাজিদ হোসেন (বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট )
Courtesy: Daily Prothom Alo |August 22, 2014 | http://www.prothom-alo.com/technology/article/297193/
A.K.M Jamal Uddin wrote a new post 11 years, 9 months ago
Under UNCLOS-82, every state that has got ships plying its flag should maintain a register of such ships with necessary particulars so that it can exercise its jurisdiction and control over those ships. It does […] 
A.K.M Jamal Uddin wrote a new post 11 years, 9 months ago
Dear Fellow Mariners,
Assalaamu Alaikum and Eid Mubarak
The Bangladesh Merchant Marine Officers’ Association (BMMOA) intends to have a get together of all the mariners living/staying in Dhaka city and thus BMMOA will celebrate an Eid Reunion Program jointly with the Nautical Institute Dhaka Branch (NIDB) as follows:
Date: 08 AUG 2014, Friday
Time: 2000 hours
Venue: Hotel Sarina, Banani, Dhaka
Spouse and children are welcome.
Contribution: Tk. 1,000 per adult and Tk. 500 per children below 12 years of age.
I, on behalf of the BMMOA, invite you to join this Eid Reunion program and show the mark of solidarity amongst the Bangladeshi mariners.
I shall be grateful if you can confirm your attendance by email to: zillur.bhuiyan@gmail.com
Kind regards
Zillur Rahman Bhuiyan
President
Bangladesh Merchant Marine Officers’ Association (BMMOA)
BMMOA introduction in Eid Reunion
———————————————————————–
A.K.M Jamal Uddin wrote a new post 11 years, 9 months ago
ইতিহাস হতে যাচ্ছেন তাঁরা নাবিক পেশায় যোগ দিচ্ছেন ১৩ নারী || Daily Kalerkantho.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো নাবিক পেশায় যোগ দিতে যাচ্ছেন ১৩ জন নারী। আগামী আগস্টে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) বিভিন্ন জাহাজে যোগ দেবেন তাঁরা। গত ডিসেম্বরে তাঁরা বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মকসুমুল কাদের কালের কণ্ঠকে বলেন, কর্মসংস্থান তৈরির সরকারি উদ্যোগকে সফল করার জন্য বিএসসির প্রতিটি জাহাজে দুজন করে নারী মেরিন অফিসার নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মেরিন একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করে ১৩ জন নারী মেরিন অফিসার বিএসসির জাহাজে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন।
মকসুমুল কাদের বলেন, ‘দেশে এঁরাই প্রথম নারী নাবিক, যাঁরা সমুদ্রগামী জাহাজে যোগ দিতে যাচ্ছেন। তাঁদের চাকরির সুযোগ দিয়ে বিএসসিও ইতিহাসের অংশ হতে চলেছে।’
জানা গেছে, সমুদ্রগামী জাহাজে নাবিক পদে বিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে ১৯৪৫ সালে যোগ দিয়েছিলেন সুইডিশ এক নারী। পরবর্তী সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় আড়াই হাজার নারী সমুদ্রগামী জাহাজে অফিসার পদে যোগ দিলেও এত দিন বাংলাদেশি নারীদের কোনো সুযোগ ছিল না। পরবর্তী সময়ে মেরিন প্রশিক্ষণে নারী ক্যাডেট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অরগানাইজেশন (আইএমও) নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় ৬৯ বছর পর বাংলাদেশে ২০১২ সালে মেরিন প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি থেকে নটিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং দুই শাখায় মোট ১৩ জন নারী ক্যাডেট প্রশিক্ষণ শেষ করেন। বর্তমানে দ্বিতীয় ব্যাচে তিনজন নারী ক্যাডেট রয়েছেন।
বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ড. সাজিদ হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিভিন্ন বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করে এ দেশে প্রথমবারের মতো নারী মেরিন অফিসার সমুদ্রগামী জাহাজে যোগ দিতে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন এসব নারী মেরিন অফিসারকে চাকরির সুযোগ করে দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করল। মেরিন একাডেমি থেকে পাস করা প্রথম ব্যাচের নারী মেরিন অফিসাররা আগামী আগস্ট মাসের শেষ দিকে বিএসসির বিভিন্ন জাহাজে যোগ দেবেন।’
সমুদ্রগামী জাহাজে নারীদের চাকরির সুযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতের উদাহরণ দিয়ে ড. সাজিদ আরো বলেন, ‘সমুদ্র পেশায় নারীদের আগ্রহী ও উৎসাহিত করার জন্য ভারতীয় সরকার ৫০ শতাংশ হ্রাসকৃত ফি এবং ন্যূনতম বয়সের ক্ষেত্রে দুই বছর শিথিল করেছে। ফলে ভারতে নৌ প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে নারী ক্যাডেটের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।’
কমান্ড্যান্ট সাজিদ হোসাইন জানান, ১৯৯৯ সালে কলকাতার সোনালী বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের প্রথম নারী নাবিক (মেরিন ইঞ্জিনিয়ার) হিসেবে সমুদ্রগামী জাহাজে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি প্রধান প্রকৌশলী। ২০০৪ সালের মধ্যে এ পেশায় আসেন কবিতা মিনাতুর, জ্যোতি কুমারী (বর্তমানে প্রধান প্রকৌশলী)। এর পর থেকে ভারতে নারী নাবিকের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
যেসব দেশে নারী নাবিক আছে : সুইডেন, ডেনমার্ক, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য, ফিনল্যান্ড, ভারত, বেলজিয়াম, জার্মানি, ইটালি, পর্তুগাল, বারমুডা, হংকং, স্পেন, তুরস্ক, জাপান, স্লোভেনিয়া, ফ্রান্স, রোমানিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি।
———————
Courtesy: http://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2014/07/23/110151#sthash.N64e3fh4.iRFCoWkI.dpuf
A.K.M Jamal Uddin wrote a new post 11 years, 9 months ago
Ever since coming into power, the present Government has systematically damaged every public institution. The judiciary does not anymore reflect its independence and impartiality. It simply carries forward the […] 
Leave a comment